• ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩, সোমবার ২০ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Mamata

কলকাতা

মমতার কড়া আক্রমণের পর প্রথম মুখ খুললেন জ্ঞানেশ! এক মন্তব্যেই তোলপাড় রাজনীতি

বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশন এবং তৎকালীন তৃণমূল সরকারের মধ্যে টানা সংঘাত তৈরি হয়েছিল। সেই সময় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিকবার নির্বাচন কমিশন এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কড়া সমালোচনা করেছিলেন। জনসভা থেকে শুরু করে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি।তবে সেই সময় জ্ঞানেশ কুমার প্রকাশ্যে কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি। সম্প্রতি দিল্লিতে সাংবাদিকদের এক অনুষ্ঠানে এই প্রসঙ্গ উঠতেই তিনি মন্তব্য করেন, তিনি ভেবেছিলেন জবাব দেবেন, কিন্তু বাংলার মানুষই সেই জবাব দিয়ে দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর কাছে দিদির মতো। তিনি যা বলার বলেছেন, তাই নিয়ে তাঁর আলাদা করে কিছু বলার নেই। এই মন্তব্যের সময় তাঁকে হাসতেও দেখা যায়।নির্বাচনের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিকবার নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে চিঠি পাঠিয়েছিলেন। পরে তিনি নিজে কমিশনের দপ্তরে গিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকও করেন। বৈঠক শেষে সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, কমিশনের আচরণ পক্ষপাতদুষ্ট এবং অহঙ্কারী। সেই সময় কমিশনের ভূমিকা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।এবার ভোট শেষ হওয়ার পর জ্ঞানেশ কুমারের এই মন্তব্য নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। তাঁর সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া ঘিরে আবারও শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।

জুলাই ১৮, ২০২৬
কলকাতা

মমতার বাড়ি থেকে ঢিলছোড়া দূরত্বে কী চলছিল? বাসিন্দাদের অভিযোগে শোরগোল

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির কাছেই কালীঘাট মিলন সংঘ ক্লাব এবং তার পাশের বস্তি এলাকা ঘিরে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। ওই এলাকায় বসবাসকারী বহু পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের কাছ থেকে নিয়মিত ভাড়ার নামে টাকা নেওয়া হতো। অভিযোগ অনুযায়ী, কেউ মাসে তিনশো টাকা, কেউ পাঁচশো টাকা, আবার কোনও কোনও পরিবারের কাছ থেকে আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। টাকার বিনিময়ে তাঁদের হাতে কালীঘাট মিলন সংঘের নামে একটি স্লিপ দেওয়া হতো বলেও দাবি করেছেন বাসিন্দারা।স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, এই টাকা নেওয়ার সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাই ষষ্ঠী চট্টোপাধ্যায়ের নাম জড়িয়ে রয়েছে। তাঁদের দাবি, কখনও তিনি নিজে এসে টাকা নিতেন, আবার কখনও তাঁর হয়ে অন্য কেউ এসে ভাড়া সংগ্রহ করতেন। যদিও এই অভিযোগের স্বাধীনভাবে কোনও সরকারি বা বিচারিক সত্যতা এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি।এই বস্তি এলাকা আদি গঙ্গার ধারে এবং কলকাতা বন্দরের জমির উপর অবস্থিত বলে জানা গিয়েছে। বাসিন্দাদের দাবি, বছরের পর বছর টাকা দেওয়া হলেও তাঁরা কোনও ধরনের উন্নয়ন বা পরিষেবা পাননি। এই অভিযোগ নিয়ে স্থানীয় বিধায়কের দপ্তরে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়েছে। পরে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃত্বও এলাকা পরিদর্শন করে বাসিন্দাদের বক্তব্য শোনেন।এক বাসিন্দার দাবি, তাঁরা শুনেছেন পুরো বিষয়টি একটি ক্লাবের মাধ্যমে পরিচালিত হতো। কিন্তু নিয়মিত টাকা দেওয়ার পরও কোনও সুযোগ-সুবিধা বা পরিষেবা মেলেনি। আরেক বাসিন্দার অভিযোগ, তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই এই ভাড়া দেওয়ার প্রথা শুরু হয় এবং বহু বছর ধরে তা চলেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখার দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ।

জুলাই ১৮, ২০২৬
দেশ

‘প্রভু অহংকার সয় না, তাই সরকারও টেকেনি’! মমতাকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য পুরীর জগন্নাথদেবের মুখ্য পানিগ্রাহীর

দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের নামের সঙ্গে ধাম শব্দ ব্যবহার নিয়ে শুরু থেকেই বিতর্ক ছিল। বিভিন্ন মহল আপত্তি তুললেও সেই নামেই মন্দিরের উদ্বোধন হয়েছিল। তবে সরকার পরিবর্তনের পর সেই ধাম শব্দ সরিয়ে দেওয়া হয়। এবার এই বিতর্কে নতুন করে মুখ খুললেন পুরীর জগন্নাথদেবের মুখ্য পানিগ্রাহী জগন্নাথ দয়িতাপতি। তাঁর দাবি, তিনি আগেই এই বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু তাঁর কথা শোনা হয়নি। তাঁর মন্তব্য, প্রভু কারও অহংকার সহ্য করেন না। সেই কারণেই সরকারও টেকেনি।এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জগন্নাথ দয়িতাপতি বলেন, তিনি কোনও রাজনীতি করেন না, শুধু ধর্মীয় বিধি ও শাস্ত্র অনুযায়ী মত প্রকাশ করেন। তাঁর বক্তব্য, চার ধামের অন্যতম হল পুরীর জগন্নাথ ধাম। তাই অন্য কোনও মন্দিরের নামের সঙ্গে ধাম শব্দ ব্যবহার করা উচিত নয়। তিনি জানান, দিঘার মন্দিরের নাম নিয়ে আগেই আপত্তি জানিয়েছিলেন। কিন্তু সেই পরামর্শ মানা হয়নি।তিনি আরও বলেন, দেশে বহু জগন্নাথ মন্দির রয়েছে। কিন্তু ধাম হিসেবে স্বীকৃতি একমাত্র পুরীরই। তাই দিঘার মন্দিরের নামের সঙ্গে ধাম শব্দ যোগ করা ধর্মীয় দৃষ্টিতে সঠিক ছিল না। তাঁর দাবি, এই বিষয়েই তিনি বারবার সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু সেই কথা গুরুত্ব পায়নি।জগন্নাথ দয়িতাপতি এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসাও করেন। তাঁর বক্তব্য, সরকার পরিবর্তনের পর দিঘার মন্দিরের নাম থেকে ধাম শব্দ সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে তিনি সঠিক বলে উল্লেখ করেন।এর আগে পুরীর প্রধান পুরোহিত রাজেশ দয়িতাপতিও একই ধরনের বক্তব্য রেখেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, দিঘার জগন্নাথ মন্দির প্রতিষ্ঠার সময়ই তিনি কয়েকটি বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। বিশেষ করে পাথরের মূর্তিতে প্রাণপ্রতিষ্ঠা এবং ধাম শব্দ ব্যবহারের বিরোধিতা করেছিলেন। পরে নিমকাঠের মূর্তি তৈরি হলেও ধাম শব্দটি সরানো হয়নি বলে তাঁর আক্ষেপ ছিল।দিঘার জগন্নাথ মন্দির ঘিরে এই বিতর্ক ফের নতুন করে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। বিশেষ করে মুখ্য পানিগ্রাহীর মন্তব্য ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

জুলাই ১৬, ২০২৬
কলকাতা

‘বেইমানদের জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী’! বিস্ফোরক বার্তায় নতুন লড়াইয়ের ডাক মমতার

তৃণমূলের অন্দরে একের পর এক নেতা বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দিচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে দলের ভিতরে অস্বস্তি বাড়লেও লড়াই থেকে এক ইঞ্চিও পিছিয়ে যেতে রাজি নন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, প্রয়োজন হলে আবারও শূন্য থেকে দল গড়ে তুলতে প্রস্তুত তিনি।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মানুষ দলের প্রতীক দেখে ভোট দিয়েছেন। তাই যাঁরা দল ছেড়ে চলে যাচ্ছেন, তাঁদের জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে তাঁদের বেইমান বলেও কড়া আক্রমণ করেছেন। তাঁর দাবি, দুই হাজার সাতানব্বই সালে একা লড়াই শুরু করেছিলেন। তখনও সফল হয়েছিলেন। তাই দুই হাজার ছাব্বিশ সালেও নতুন করে লড়াই শুরু করার ক্ষমতা তাঁর রয়েছে।সাম্প্রতিক সময়ে মদন মিত্র-সহ একাধিক নেতা বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দিয়েছেন। তাঁদের অনেকেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এই প্রসঙ্গে মমতা বলেন, অভিষেককে অকারণে নিশানা করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, অভিষেক নিজের দায়িত্ব পালন করছেন এবং আগামী বহু বছর রাজনীতিতে সক্রিয় থাকবেন।মদন মিত্রের দলত্যাগ প্রসঙ্গেও পরোক্ষে প্রতিক্রিয়া দেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার চাপ দেখিয়ে অনেককে দল ছাড়তে বাধ্য করা হচ্ছে। পরিবারের সদস্যদের নোটিস পাঠিয়ে ভয় দেখানোর অভিযোগও করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, যাঁরা দল ছেড়ে গিয়েছেন, তাঁদের অনেকের পরিস্থিতি আগেই তিনি বুঝতে পেরেছিলেন।এরপর তৃণমূলের শুরুর দিনের কথা মনে করিয়ে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, খুব অল্প সময়ের মধ্যে দল গড়ে নির্বাচন লড়ে সংসদে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয়েছিল। পরে কঠিন সময় এলেও লড়াই থামেনি। তাই বর্তমান পরিস্থিতিকেও তিনি নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবেই দেখছেন।একুশে জুলাইয়ের শহিদ সমাবেশ নিয়েও বার্তা দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। তিনি জানান, আদালতের নির্দেশ মেনে বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভা হবে। প্রতি বছরের মতো সমাবেশের আগের দিন তিনি নিজে গিয়ে প্রস্তুতি খতিয়ে দেখবেন। পাশাপাশি প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছেন, যাতে কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।মমতা আরও বলেন, কোনও বাধা এলেও সভা বন্ধ হবে না। প্রয়োজন হলে মাইক্রোফোন ছাড়াই কর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখবেন। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, একুশে জুলাইয়ের সমাবেশ নির্ধারিত সময়েই হবে এবং দল লড়াই চালিয়ে যাবে।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

একুশের পোস্টার থেকে হঠাৎ উধাও অভিষেক! তৃণমূলে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত?

একুশে জুলাইয়ের সমাবেশের নতুন পোস্টার প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। পোস্টারে রয়েছেন শুধু তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি নেই। এই নিয়েই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে বিস্তর আলোচনা।কলকাতা হাইকোর্ট একুশে জুলাইয়ের সমাবেশের জন্য বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভার অনুমতি দেওয়ার পর নতুন পোস্টার প্রকাশ করেন কুণাল ঘোষ। পরে সেই একই পোস্টার নিজের সামাজিক মাধ্যমেও ভাগ করে নেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু পোস্টারে তাঁর ছবি না থাকায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে নানা মহলে।এর আগে প্রকাশিত প্রথম পোস্টারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ছিল। তখন সমাবেশের নির্দিষ্ট স্থান ঠিক না হওয়ায় শুধু কলকাতায় আসার আহ্বান জানানো হয়েছিল। কিন্তু নতুন পোস্টারে শুধুমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি রাখা হয়েছে।এই ঘটনা এমন সময়ে সামনে এল, যখন দলের অন্দরে একের পর এক রাজনৈতিক পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা চলছে। সাম্প্রতিক সময়ে কয়েক জন নেতা ও বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যোগ দিয়েছেন। তাঁদের অনেকেই প্রকাশ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। সর্বশেষ সেই তালিকায় যোগ হয়েছে মদন মিত্রের নাম। ফলে পোস্টারে অভিষেকের ছবি না থাকাকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা আরও বেড়েছে।তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের দাবি, এই ঘটনাকে নতুন করে দেখার প্রয়োজন নেই। কারণ গত বছরও একুশে জুলাইয়ের প্রচারের পোস্টারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ছিল না। সেই সময় দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, এই সমাবেশের পোস্টারে শুধুমাত্র দলের সর্বোচ্চ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবিই রাখা হবে। একই ধরনের ঘটনা দুই হাজার তেইশ সালেও দেখা গিয়েছিল।ফলে নতুন পোস্টার ঘিরে রাজনৈতিক চর্চা যতই বাড়ুক, এটি কৌশলগত সিদ্ধান্ত নাকি তার পিছনে অন্য কোনও রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে, সেই উত্তর এখনও স্পষ্ট নয়। তবে একুশে জুলাইয়ের আগে এই পোস্টার যে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

জুলাই ১৫, ২০২৬
রাজ্য

শিবির বদলেই বড় পদক্ষেপ! অফিস থেকে উধাও অভিষেকের ছবি, কিন্তু মমতার ছবি কেন রইল?

শিবির বদলের পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে অনুব্রত মণ্ডলকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির ছেড়ে তিনি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরে যোগ দিয়েছেন। শনিবার তাঁকে বীরভূম জেলার দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে। আর তার পরের দিনই বোলপুরে তাঁর দলীয় কার্যালয়ে দেখা গেল বড় পরিবর্তন।রবিবার বোলপুরের নিচুপট্টিতে অনুব্রত মণ্ডলের বাড়ি সংলগ্ন দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি আর নেই। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একাধিক ছবি আগের মতোই রাখা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। অনেকের প্রশ্ন, ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিলেও কি অনুব্রত এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই নিজের নেত্রী হিসেবে মানছেন? আবার অভিষেকের ছবি সরিয়ে দেওয়ার মধ্য দিয়ে কি বিশেষ কোনও রাজনৈতিক বার্তা দিতে চাইলেন তিনি? সেই প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে।শিবির বদলের পর অনুব্রত মণ্ডল প্রকাশ্যেই দলের ভরাডুবির জন্য নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণকারী সংস্থাকে দায়ী করেছিলেন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সেই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি পরোক্ষভাবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেই নিশানা করেছিলেন। কারণ ওই সংস্থার সঙ্গে অভিষেকের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক মহলে আলোচিত।এ প্রসঙ্গে অনুব্রত মণ্ডল বলেন, বিধানসভা ও লোকসভা নির্বাচনে তিনি বহু প্রার্থীকে জয়ী করেছেন, তখন ওই সংস্থার কোনও ভূমিকা ছিল না। তাঁর প্রশ্ন, হঠাৎ এমন কী ঘটল যে তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল? একই সঙ্গে তিনি জানান, তিনি তৃণমূলকে ভালোবাসেন এবং কংগ্রেস থেকে তৃণমূলে এসেছিলেন। বীরভূমে সকলকে নিয়ে দলের নির্দেশ মেনেই কাজ করবেন বলেও দাবি করেছেন তিনি।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি সরিয়ে দেওয়া হলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি আগের জায়গাতেই থাকায় এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা আরও বেড়েছে। আগামী দিনে এই পরিবর্তনের আরও কোনও রাজনৈতিক তাৎপর্য সামনে আসে কি না, এখন সেটাই দেখার।

জুলাই ১২, ২০২৬
কলকাতা

‘ওরা প্রতিবাদী, না দাঙ্গাকারী?’ মমতাকে কড়া আক্রমণ শুভেন্দুর, উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি

বারুইপুর কাণ্ডকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে শুরু হয়েছে তীব্র তরজা। গণপিটুনিতে নিহত ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলকে নির্দোষ বলে উল্লেখ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একই সঙ্গে তাঁর উপর হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন। এই ঘটনার মধ্যেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে।নিজের সামাজিক মাধ্যমে শুভেন্দু অধিকারী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি লেখেন, নির্বাচনে পরাজয়ের পরও মমতার রাজনীতিতে কোনও পরিবর্তন আসেনি। তাঁর অভিযোগ, তোষণ, মিথ্যাচার এবং উসকানিমূলক রাজনীতি এখনও অব্যাহত রয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারুইপুরের ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া কিছু মানুষকে প্রতিবাদী বলে উল্লেখ করেছিলেন। সেই মন্তব্যেরই কড়া সমালোচনা করেছেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, এক নির্দোষ যুবককে বাড়ি থেকে ডেকে এনে পরিচয় দেখে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। পাশাপাশি যাঁরা পুলিশকে আক্রমণ করেছেন, পুলিশের গাড়িতে আগুন লাগিয়েছেন, রেললাইন ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন এবং এলাকায় অশান্তি ছড়িয়েছেন, তাঁদের কীভাবে প্রতিবাদী বলা যায়, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।প্রসঙ্গত, গত রবিবার বারুইপুরে এক নাবালিকার দেহ উদ্ধার হওয়ার পর গোটা রাজ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। বুধবার সকালে ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্তের মৃত্যু হয় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায়। একই দিনে বারুইপুর কাণ্ডের প্রতিবাদে কালীঘাটে একটি মিছিলের আয়োজন করা হয়। সেই মিছিল ঘিরে উত্তেজনা, স্লোগান, পাল্টা স্লোগান এবং সংঘর্ষের অভিযোগ ওঠে। পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তাঁর মন্তব্য ঘিরেই নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের সূত্রপাত হয়।

জুলাই ০৯, ২০২৬
কলকাতা

বালিগঞ্জে হঠাৎ তুমুল অশান্তি! পুলিশের সামনেই বিস্ফোরক অভিযোগ মমতার, সরগরম রাজনীতি

বালিগঞ্জ ফাঁড়ি এলাকায় বুধবার কালীঘাট তৃণমূলের মিছিল ঘিরে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কলকাতা হাই কোর্টের অনুমতি নিয়ে মিছিল শুরু হলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বিজেপি কর্মীরা তৃণমূলের মিছিল লক্ষ্য করে স্লোগান দেন। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে ধস্তাধস্তি ও হাতাহাতির পরিস্থিতি তৈরি হয়। ঘটনাস্থলে কটাক্ষ করে গানও বাজানো হয় বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হস্তক্ষেপ করে পুলিশ।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁর অভিযোগ, আদালতের অনুমতি থাকা সত্ত্বেও মিছিলে বাধা দেওয়া হয়েছে এবং মাইক্রোফোন ব্যবহার করতে দেওয়া হয়নি। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, তাঁর দলের কর্মীদের উপর হামলা হয়েছে এবং পুলিশ সেই পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও অভিযোগ করেন, তাঁর দলের এক নেতাকে ঘিরে রেখে মারধর করা হয়েছে। তিনি নিজে সেখানে গিয়ে ওই নেতাকে উদ্ধার করেন বলেও দাবি করেন। তাঁর বক্তব্য, প্রশাসনের দায়িত্ব ছিল শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল সম্পন্ন করা, কিন্তু তা না করে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে দেওয়া হয়েছে।পুলিশি নজরদারি নিয়েও সরব হন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, তাঁকে অন্যায়ভাবে নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছে এবং তাঁর বাড়িতে কে আসছেন বা কে যাচ্ছেন, তা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তিনি এটিকে গণতান্ত্রিক অধিকারের পরিপন্থী বলে দাবি করেন। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, তাঁকে কার্যত গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে।বারুইপুরের ঘটনায় প্রতিবাদকারীদের গ্রেপ্তার এবং রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় নারী নির্যাতনের ঘটনাও এদিন তুলে ধরেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেন, গত কয়েক মাসে একাধিক নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। সব ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দ্রুত বিচার হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।শেষে তিনি জানান, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তাঁদের গুরুতর আপত্তি রয়েছে এবং এই বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও ভাবা হচ্ছে। বালিগঞ্জের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়ে গেল।

জুলাই ০৮, ২০২৬
কলকাতা

মিছিলে হঠাৎ মেজাজ হারালেন মমতা! নিজের দলের কর্মীকেই সপাটে চড়, তোলপাড় রাজনীতি

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার কালীঘাট তৃণমূলের ডাকা মিছিল ঘিরে হাজরায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কলকাতা হাই কোর্টের অনুমতি নিয়ে বালিগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে মিছিল শুরু হলেও কিছু দূর এগোতেই বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। স্লোগান, পাল্টা স্লোগান এবং দুই পক্ষের বাগ্বিতণ্ডাকে ঘিরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।এই অবস্থায় কালীঘাটের বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাড়ির সামনে তখন বিপুল ভিড় জমে যায়। ভিড় নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করতে গিয়ে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সামনে থাকা নিজের দলের এক কর্মীকে সপাটে চড় মারেন তিনি। শুধু তাই নয়, বিশৃঙ্খলা থামাতে আরও কয়েকজন কর্মীকেও ধাক্কা ও চড় মারতে দেখা যায় তাঁকে। ঘটনাটি ঘিরে মুহূর্তের মধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়।মিছিল চলাকালীন এলাকায় উত্তেজনা আরও বাড়ে। অভিযোগ, একদিকে চোর চোর স্লোগান ওঠে, অন্যদিকে রাস্তার পাশ থেকে কটাক্ষ করে গান বাজানো হয়। বিজেপি ও তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ। তৃণমূলের দাবি, তাদের একাধিক কর্মী মারধরের শিকার হয়েছেন।ঘটনার পর বিজেপি নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার তীব্র কটাক্ষ করেন। তাঁর দাবি, ক্ষমতা হারানোর পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানসিকভাবে অস্থির হয়ে পড়েছেন এবং সেই কারণেই এমন আচরণ করছেন। যদিও এই মন্তব্যের কোনও প্রতিক্রিয়া তৃণমূলের পক্ষ থেকে সঙ্গে সঙ্গে জানানো হয়নি।পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পুলিশের ভূমিকারও সমালোচনা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আদালতের অনুমতি নিয়েই ছাত্র ও যুবরা মিছিল করেছে এবং গণতান্ত্রিকভাবে প্রতিবাদ করার অধিকার সকলের রয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর অভিযোগ, বিজেপি কর্মীরা তাঁর বাড়ির সামনে এসে অশান্তির পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করেছে। তিনি প্রশাসনের কাছে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখারও দাবি জানান।বারুইপুর কাণ্ডকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। একদিকে তদন্ত এগোচ্ছে, অন্যদিকে ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক সংঘাতও নতুন মাত্রা পাচ্ছে।

জুলাই ০৮, ২০২৬
কলকাতা

মোমবাতি হাতে পথে মমতা, ব্যারিকেড ভেঙে এগোল মিছিল! বারুইপুর কাণ্ডে তপ্ত কালীঘাট

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার কালীঘাটে মোমবাতি হাতে পথে নামলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজের বাড়ির সামনে থেকে শুরু হওয়া এই প্রতিবাদ মিছিল ঘিরে কিছুক্ষণের মধ্যেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বাড়ির গলির মুখে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যারিকেড দিয়ে মিছিল আটকানোর চেষ্টা করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে ব্যারিকেড সরিয়ে মিছিল এগিয়ে যায়।মিছিলে মূল স্লোগান ছিল, বারুইপুরের বিচার চাই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে এদিন দেখা যায় দলের একাধিক মহিলা নেত্রীকে। দোলা সেন, প্রতিমা মণ্ডল, অপরূপা পোদ্দার-সহ তৃণমূলের বহু নেতা-কর্মী মোমবাতি ও প্রতিবাদী প্ল্যাকার্ড হাতে মিছিলে অংশ নেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে কালীঘাট এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত নিজের বাড়ির সামনেই প্রতিবাদ কর্মসূচি শেষ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।রবিবার বারুইপুরে এক নাবালিকার ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ সামনে আসতেই রাজ্যজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার পর পুলিশ দ্রুত তদন্ত শুরু করে। ইতিমধ্যেই মূল অভিযুক্ত-সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরও তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।ঘটনার পর নাবালিকার পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অন্যদিকে রবিবার রাতেই পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার দুপুরে তৃণমূলের একটি প্রতিনিধি দল বারুইপুরে গিয়ে মৃত নাবালিকার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে। পরে তারা কালীঘাটে ফিরে গোটা ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানায়।এরপরই কালীঘাটে প্রতিবাদ মিছিলে অংশ নেন তৃণমূল নেত্রী। রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর বিভিন্ন ইস্যুতে একাধিকবার পথে নেমেছেন তিনি। এবার বারুইপুরের নাবালিকার মৃত্যুর ঘটনার বিচার দাবি করে সরাসরি প্রতিবাদে শামিল হওয়ায় বিষয়টি নতুন রাজনৈতিক গুরুত্ব পেয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
কলকাতা

পুলিশ অনুমতি না দিলেও একুশে জুলাই হবেই! রিকশায় দাঁড়িয়ে সভার হুঁশিয়ারি মমতার

একুশে জুলাইয়ের শহিদ দিবস পালনকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়ে গেল। ধর্মতলায় ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সভার অনুমতি না দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, কোনও বাধাই তাঁদের শহিদ দিবস পালন আটকাতে পারবে না। প্রয়োজন হলে রিকশায় দাঁড়িয়েও শহিদ দিবস পালন করা হবে।শনিবার সামাজিক মাধ্যমে সরাসরি বক্তব্য রাখতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, পুলিশ অনুমতি না দিলেও একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি বাতিল হবে না। তাঁর অভিযোগ, মধ্য কলকাতায় জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে তাঁদের রাজনৈতিক কর্মসূচি আটকে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে কোনও বাধাই তাঁদের থামাতে পারবে না। কোথায় অনুষ্ঠান হবে, সেই সিদ্ধান্ত পুলিশের অনুমতির পর জানিয়ে দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে মমতা বলেন, কোনও উদ্বেগের কারণ নেই। দল আগেও ছিল, এখনও আছে এবং ভবিষ্যতেও মানুষের পাশে থাকবে। মানুষের ভালোবাসাই তাঁদের সবচেয়ে বড় শক্তি বলেও দাবি করেন তিনি।এদিন তৃণমূলের মেট্রোপলিটন পার্টি অফিসে তালা পড়ার ঘটনাও তুলে ধরেন মমতা। তিনি বলেন, ওই দফতরটি দল নিয়ম মেনে ভাড়ায় নিয়েছিল এবং নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ভাড়ার চুক্তিও রয়েছে। প্রতি মাসে নিয়মিত ভাড়া ও বিদ্যুতের বিল পরিশোধ করা হয়েছে। সমস্ত নথিও দলের কাছে রয়েছে। তাঁর দাবি, একটি অফিসে তালা ঝোলানো যেতে পারে, কিন্তু মানুষের হৃদয়ে তালা লাগানো সম্ভব নয়। এই ঘটনায় অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে বলে জানান তিনি।অন্যদিকে, মমতার বক্তব্যের পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন ঋতব্রত শিবিরের বিধায়ক সন্দীপন সাহা। তাঁর দাবি, কালীঘাটে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যেখানে বহু নেতা স্বস্তি পাচ্ছেন না। সেই কারণেই একের পর এক বর্ষীয়ান নেতা অন্য শিবিরে চলে আসছেন। তাঁর আরও দাবি, তাঁদের শিবিরে যে সাংগঠনিক কাঠামো ঠিক করা হয়েছে, সেটাই এখনও বহাল রয়েছে। অন্যদিকে কালীঘাট শিবিরে বারবার সাংগঠনিক দায়িত্বে পরিবর্তন হচ্ছে বলেও কটাক্ষ করেন তিনি।একুশে জুলাইয়ের সভা কোথায় এবং কীভাবে হবে, তা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হলেও রাজনৈতিক সংঘাত যে আরও বাড়তে চলেছে, তা স্পষ্ট।

জুলাই ০৪, ২০২৬
কলকাতা

বড় ধাক্কা মমতার শিবিরে! পদ ছাড়তেই বিস্ফোরক দাবি চন্দ্রিমার, পাল্টা কড়া বার্তা দলনেত্রীর

তৃণমূলের অন্দরে রাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও প্রকাশ্যে এল চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের পদত্যাগকে কেন্দ্র করে। কালীঘাট শিবিরের রাজ্য সভানেত্রীর পদ ছেড়ে দেওয়ার পর একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন তিনি। অন্যদিকে, তাঁর ইস্তফার পরই সরাসরি প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চন্দ্রিমার ছেলে সৌরভ বসুর অন্য শিবিরে যাওয়ার প্রসঙ্গ টেনে মমতা জানিয়েছেন, এই পদত্যাগের ইঙ্গিত তিনি অনেকদিন ধরেই পাচ্ছিলেন।ফেসবুকে সরাসরি বক্তব্য রাখতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, চন্দ্রিমা অনেকদিন ধরেই পদ ছাড়ার কথা জানাচ্ছিলেন। তাঁর দাবি, চন্দ্রিমার ছেলে ইতিমধ্যেই অন্য শিবিরে যোগ দিয়েছেন। সেই সিদ্ধান্ত তাঁদের ব্যক্তিগত বিষয়। তবে তিনি নিজে কোনও সমঝোতার পথে হাঁটবেন না বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন। মমতার কথায়, নেতা নয়, তিনি কর্মীকেই বেশি গুরুত্ব দেন। একজন চলে গেলে দলের কোনও ক্ষতি হবে না বলেও তিনি দাবি করেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, সংগ্রামই তাঁর জীবনের শক্তি এবং শেষ পর্যন্ত মানুষের জন্যই তিনি লড়াই চালিয়ে যাবেন।বিদ্রোহীদেরও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘদিন দল থেকে সব সুযোগ-সুবিধা নেওয়ার পর এখন অনেকেই অন্য পথে হাঁটছেন। মানুষের ভোটে নির্বাচিত হয়ে পরে সেই মানুষের সঙ্গেই বিশ্বাসঘাতকতা করা উচিত নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।সুব্রত বক্সির অসুস্থতার কারণেই চন্দ্রিমাকে অস্থায়ীভাবে রাজ্য সভানেত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল বলেও জানান মমতা। তিনি ঘোষণা করেন, এবার থেকে রাজ্যের সাংগঠনিক দায়িত্ব নিজেই সামলাবেন। পাশাপাশি দলের কাজ আরও শক্তিশালী করতে মদন মিত্র এবং কুণাল ঘোষকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়ার কথাও জানান।অন্যদিকে, পদত্যাগের পর নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তাঁর দাবি, তিনি সবসময় দলের প্রতি অনুগত ছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি তৃণমূল ভবন নিয়ে ঘটে যাওয়া ঘটনায় তাঁর আনুগত্য নিয়েই প্রশ্ন তোলা হয়। চন্দ্রিমার অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে প্রশ্ন করেন, তিনি কি ভবন অন্য শিবিরের হাতে তুলে দিয়েছেন? এই অভিযোগে তিনি অত্যন্ত আঘাত পান। তাঁর কথায়, তিনি কোনওভাবেই এমন কিছু করেননি। সেই কারণেই আত্মসম্মানের জায়গা থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।চন্দ্রিমার ছেলে সৌরভ বসুর অন্য শিবিরে যোগ দেওয়া নিয়েও তিনি মুখ খোলেন। তাঁর বক্তব্য, তাঁর ছেলে প্রাপ্তবয়স্ক এবং নিজের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিজেই নিয়েছে। সেই সিদ্ধান্তের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত মতের কোনও সম্পর্ক নেই বলেও জানান তিনি।এদিকে চন্দ্রিমাকে স্বাগত জানিয়েছে ঋতব্রত শিবির। ওই শিবিরের নেতা সন্দীপন সাহার দাবি, কালীঘাটে এখন এমন পরিবেশ তৈরি হয়েছে যেখানে অনেকেই স্বস্তি পাচ্ছেন না। তাঁর বক্তব্য, সেই কারণেই চন্দ্রিমার মতো অভিজ্ঞ নেত্রীও শেষ পর্যন্ত সরে আসতে বাধ্য হয়েছেন। এই ঘটনাকে ঘিরে তৃণমূলের অন্দরের রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র হবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

জুলাই ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মমতার এক প্রশ্নেই ইস্তফা! চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের বিস্ফোরক দাবি ঘিরে তোলপাড় তৃণমূল

তৃণমূলে নতুন করে জল্পনার জন্ম দিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। দলের সব পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন তিনি। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজের পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন চন্দ্রিমা। এত দিন ধরে দলের পাশে থাকা এবং নিয়মিত দলীয় কার্যালয়ে উপস্থিত থাকা এই নেত্রীর আচমকা ইস্তফার সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা।চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য জানান, তাঁর আনুগত্য নিয়েই প্রশ্ন তোলা হয়েছে। সেই কারণেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর দাবি, শুক্রবারও তিনি দলীয় কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন। সেই সময় ঋতব্রত শিবিরের নেতারা ভবনে ঢুকলেও তাঁদের সঙ্গে তাঁর কোনও কথা হয়নি। এমনকি তাঁদের তিনি দেখতেও পাননি বলে দাবি করেন।চন্দ্রিমার কথায়, তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলতে গেলে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, তিনি কি দলীয় ভবন অন্য পক্ষের হাতে তুলে দিয়েছেন? এই মন্তব্যে তিনি গভীরভাবে আঘাত পান। তাঁর দাবি, তিনি কোনওভাবেই এমন কিছু করেননি। প্রতিদিনের মতোই নিজের দায়িত্ব পালন করে নির্দিষ্ট সময়ে সেখান থেকে বেরিয়ে যান। তাঁর ঘরে কেউ আসেননি, কারও সঙ্গে তাঁর বৈঠকও হয়নি। অথচ তাঁর আনুগত্য নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে বলে তিনি মনে করেন।তিনি আরও বলেন, নিজের দায়িত্ব পালনে কোথাও কোনও খামতি রাখেননি। তাই তাঁর প্রতি এই ধরনের সন্দেহ প্রকাশ তাঁকে মানসিকভাবে কষ্ট দিয়েছে। সেই কারণেই তিনি দলের সব পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যদিও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে তিনি কোনও মন্তব্য করেননি।এদিকে চন্দ্রিমার ছেলে সৌরভ বসুর নামও সম্প্রতি রাজনৈতিক মহলে আলোচনায় আসে। গত বাইশ জুন ঋতব্রত শিবিরের একটি বৈঠকে তাঁকে দেখা গিয়েছিল। এই প্রসঙ্গে চন্দ্রিমা জানান, তাঁর ছেলে প্রাপ্তবয়স্ক এবং নিজের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিজেই নেয়। ছেলের সেই বৈঠকে যাওয়ার পর তিনি বাড়িতেও রাজনৈতিক বিষয়ে কোনও আলোচনা করেননি। এমনকি ছেলের কর্মস্থলেও যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিলেন বলে দাবি করেন তিনি।চন্দ্রিমার এই পদত্যাগ তৃণমূলের অন্দরের টানাপোড়েনকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত। তাঁর ইস্তফার পর দলের অন্দরে নতুন সমীকরণ তৈরি হয় কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

জুলাই ০৪, ২০২৬
রাজ্য

তৃণমূলের সঙ্গে 'মধু চন্দ্রিমা' শেষ, দলের সব পদে ইস্তফা, এবার কি ঋত-ববির পথে?

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনার পারদ চড়ালেন প্রবীণ নেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি-সহ দলের বিভিন্ন সাংগঠনিক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন তিনি। শনিবার দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে লেখা একটি চিঠিতে নিজের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চাওয়ার কথা জানান চন্দ্রিমা।সূত্রের খবর, গত ৩ জুন তাঁকে যে রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, সেই পদ থেকেই সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি তৃণমূল কংগ্রেস এবং তার বিভিন্ন শাখা সংগঠনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সিগনেটরি হিসেবে যে দায়িত্বে ছিলেন, সেখান থেকেও অব্যাহতি চেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।ইস্তফাপত্রে কারণের উল্লেখ নেইচন্দ্রিমার ইস্তফাপত্রে পদত্যাগের কোনও নির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করা হয়নি। তিনি কেবল কোন কোন সাংগঠনিক দায়িত্ব ছাড়ছেন, সেই তালিকাই তুলে ধরেছেন। রাজনৈতিক মহলে আরও একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছেচিঠিতে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চেয়ারপার্সন হিসেবে উল্লেখ করেননি, যা অনেকের নজর কেড়েছে।জল্পনা বাড়াচ্ছে পুত্রের রাজনৈতিক অবস্থানইতিমধ্যেই চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের পুত্র সৌরভ বসু তথাকথিত ঋতব্রতপন্থী নব্য তৃণমূল শিবিরে যোগ দিয়েছেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে চন্দ্রিমার এই পদত্যাগ নতুন করে প্রশ্ন তুলেছেতিনিও কি একই রাজনৈতিক পথে হাঁটবেন?যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য নিজে কোনও মন্তব্য করেননি। ফলে তাঁর ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে জল্পনা থাকলেও, তা এখনও নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।বদলে যাচ্ছে তৃণমূলের সাংগঠনিক সমীকরণ?সাম্প্রতিক সময়ে দলের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার সমীকরণ নিয়েও জোর চর্চা চলছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, তৃণমূলের সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণে বড় পরিবর্তন এসেছে। বাইপাস সংলগ্ন দলীয় কার্যালয়ে নতুন ব্যানার টাঙানো হয়েছে, যেখানে চেয়ারপার্সন হিসেবে অরূপ রায়ের নাম রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। একই সঙ্গে সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম ও ছবি না থাকা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। এছাড়াও ওই কার্যালয়ে ঋতব্রত, সন্দীপন, ফিরহাদ হাকিম ও জাভেদ খানের উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।নজরে রাজনৈতিক মহলচন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের পদত্যাগ নিঃসন্দেহে পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। তবে তিনি ভবিষ্যতে কোন রাজনৈতিক অবস্থান নেবেন বা কোনও নতুন শিবিরে যোগ দেবেন কি না, সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। ফলে রাজনৈতিক জল্পনা যতই তুঙ্গে উঠুক, পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই এখন নজর রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ০৪, ২০২৬
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বড় পদক্ষেপ! রাতেই গ্রেপ্তার হুমায়ুনের সভার দুই আয়োজক

মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের বিতর্কিত বক্তব্য ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র আলোড়নের মধ্যেই বড় পদক্ষেপ করল পুলিশ। সোমবার বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর কড়া সতর্কবার্তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হুমায়ুনের সভার দুই আয়োজককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের মঙ্গলবার বহরমপুর জেলা আদালতে তোলা হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।পুলিশের দাবি, ধৃত দুই ব্যক্তি হলেন আমিনুল শেখ ও গোলাম মোস্তাফা। দুজনকেই রেজিনগর থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তে জানা গিয়েছে, গোলাম মোস্তাফাই ওই রাজনৈতিক সভার জন্য থানার কাছে অনুমতি চেয়েছিলেন। আমিনুল শেখও সেই সভার আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ।ঘটনার সূত্রপাত গত ছাব্বিশ জুন। সেদিন রেজিনগরের কাশীপুর এলাকায় আমজনতা উন্নয়ন পার্টির একটি জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই সভা থেকে দলের একমাত্র বিধায়ক হুমায়ুন কবীর এমন একটি বক্তব্য দেন, যা নিয়ে শুরু হয় তীব্র বিতর্ক। তাঁর মন্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে সমালোচনার ঝড় ওঠে এবং বিষয়টি নিয়ে রাজ্যজুড়ে চর্চা শুরু হয়।সোমবার বিধানসভায় এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মুখ্যমন্ত্রী কড়া অবস্থান নেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, যাঁরা ওই সভার আয়োজন করেছিলেন, তাঁদের বিরুদ্ধেই প্রথমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি তিনি হুমায়ুন কবীরকেও শেষবারের মতো সতর্ক করে বলেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের মন্তব্য আর বরদাস্ত করা হবে না।মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পরেই রাতের মধ্যে পুলিশ অভিযান চালিয়ে সভার দুই আয়োজককে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আমিনুল শেখের বাড়ি রেজিনগরের লোকনাথপুর গ্রামে। অন্যদিকে গোলাম মোস্তাফার বাড়ি কাশীপুর এলাকায়, যেখানে ওই সভার আয়োজন করা হয়েছিল। তদন্তকারীদের দাবি, সভার অনুমতি নেওয়া থেকে শুরু করে আয়োজনের দায়িত্বে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। এখন গোটা ঘটনার তদন্তে আরও নতুন তথ্য সামনে আসে কি না, সেদিকেই নজর রয়েছে।

জুন ৩০, ২০২৬
কলকাতা

বিধানসভায় শুভেন্দুর বিস্ফোরক মন্তব্য! ‘কালি গেলে দোয়াতও যাবে’, কাকে ইঙ্গিত করলেন মুখ্যমন্ত্রী?

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে তৃণমূলের দুই শিবিরের টানাপোড়েনের মধ্যেই সোমবার বিধানসভায় নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কালীঘাটপন্থী তৃণমূল আগেভাগে একুশে জুলাইয়ের সভাস্থলে পৌঁছনো নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরেও একাধিক মন্তব্য করেন তিনি। সেই বক্তব্য ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, একুশে জুলাইয়ের সভাস্থলে আগে থেকেই যাওয়ার অনুমতি কারা দিয়েছিল। এই প্রসঙ্গেই তিনি কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের নেতাদের উপস্থিতির বিষয়টি উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক গ্রেফতারির ঘটনাও টেনে আনেন তিনি।তারাতলার কারখানা বিপর্যয়ের ঘটনায় নাম জড়ানো এবং তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে বিধায়ক কুণাল ঘোষের বক্তব্যেরও উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। কটাক্ষ করে তিনি বলেন, কেউ কেউ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আরও গ্রেফতারের দাবি তুলছেন। এমনকি কুণাল ঘোষকে উদ্দেশ্য করে তিনি রসিকতার সুরে বলেন, যদি সব সিদ্ধান্ত তিনিই নিতে চান, তাহলে মুখ্যমন্ত্রীর আসনেও বসে যেতে পারেন।এরপরই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেউ যদি কালীচরণের সঙ্গে অন্যদের নামও জুড়ে দেন, তাহলে তদন্তের স্বার্থে সকলের বিরুদ্ধেই সমানভাবে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তাঁর বক্তব্য, কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা প্রমাণের ভিত্তিতেই বিচার হবে। কোনও ব্যক্তি প্রভাবশালী হলেই তাঁকে ছাড় দেওয়া হবে না।তবে নিজের বক্তব্যের শেষেই মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন, প্রমাণ ছাড়া কোনও পদক্ষেপ করবে না সরকার। তিনি বলেন, তদন্ত চলছে এবং যথেষ্ট প্রমাণ মিললে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, নির্দোষ বা ভদ্র মানুষের বিরুদ্ধে সরকার কোনও অন্যায় পদক্ষেপ করবে না। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

ঋতব্রত শিবিরে নাম লেখাতেই বড় শাস্তি! ফিরহাদ-অরূপদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক পদক্ষেপ

রাজ্য রাজনীতিতে আরও গভীর হল তৃণমূলের অন্দরের সংঘাত। শোকজ নোটিস পাঠানোর মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বড় সিদ্ধান্ত নিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের নির্দেশ অমান্য করে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন আসল তৃণমূল-এর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার অভিযোগে ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, অরূপ রায়, জাভেদ খান, রথীন ঘোষ, বিপ্লব মিত্র, সাবিনা ইয়াসমিন এবং স্নেহাশিস চক্রবর্তীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সোমবার নিউটাউনের একটি পাঁচতারা হোটেলে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের একাধিক পরিচিত মুখ। বৈঠক থেকেই নতুন জাতীয় কর্মসমিতির ঘোষণা করা হয়। সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও নাম রাখা হয়নি। চেয়ারম্যান করা হয় অরূপ রায়কে। সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ চার নেতাকে।এই ঘোষণার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়। কারণ, দীর্ঘদিন ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস এবং আরও কয়েকজন নেতার নাম উঠে আসে নতুন শিবিরের সঙ্গে। এরপরই কালীঘাটের তৃণমূল নেতৃত্ব তাঁদের শোকজ করে। তবে সেই শোকজের জবাবের জন্য অপেক্ষা না করেই মঙ্গলবার বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে খবর।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই বহিষ্কার শুধু সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং তৃণমূলের অন্দরের ক্ষমতার লড়াইকে আরও স্পষ্ট করে দিল। একদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে নতুন শক্তি গড়ে উঠছে, অন্যদিকে দলীয় নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে কড়া বার্তা দিতে চাইছে মমতা শিবির।আগামী দিনে আরও কয়েকজন নেতা নতুন শিবিরে যোগ দিতে পারেন বলেও জল্পনা তৈরি হয়েছে। ফলে তৃণমূলের অন্দরের এই সংঘাত কোন দিকে গড়ায়, সেদিকে এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ২৩, ২০২৬
কলকাতা

ঋতব্রতদের আগেই বড় চাল মমতার! নির্বাচন কমিশনে চিঠি ঘিরে তোলপাড় রাজনীতি

তৃণমূলের নিয়ন্ত্রণ ঘিরে রাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও তীব্র হল। একদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির নতুন জাতীয় কর্মসমিতি গঠনের দাবি করেছে, অন্যদিকে তার আগেই নির্বাচন কমিশনের কাছে নিজেদের কর্মসমিতির তালিকা পাঠিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সূত্রের খবর, ঋতব্রত শিবিরও নিজেদের নতুন কমিটির নথি কমিশনে জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিল। কিন্তু তার আগেই পদক্ষেপ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতৃত্বাধীন শিবির। কমিশনের কাছে পাঠানো তালিকায় চেয়ারম্যান হিসেবে রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রাখা হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, সম্প্রতি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বহিষ্কারের ঘোষণা করেছিল। সেই আবহেই কমিশনে পাঠানো তালিকায় অভিষেকের নাম থাকা রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, কমিশনে পাঠানো তালিকায় মোট চব্বিশ জন নেতার নাম রয়েছে। যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন দোলা সেন এবং ডেরেক ওব্রায়েন। সহ সভাপতি পদে রাখা হয়েছে সুব্রত বক্সীকে। কোষাধ্যক্ষ হিসেবে রয়েছেন শুভাশিস চক্রবর্তী। তালিকায় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নামও রয়েছে। তাঁর পরিচয়ের পাশে বিধানসভার দলনেতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।এছাড়াও দলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতার নাম ওই তালিকায় রয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, নির্বাচন কমিশনের কাছে আগে নথি জমা দিয়ে সাংগঠনিক লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিতে চেয়েছে মমতা শিবির।এদিকে রাজনৈতিক মহলে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, শেষ পর্যন্ত তৃণমূলের সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিষয়টি শুধু আইনি লড়াইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। দলের কর্মী, সমর্থক এবং ভোটারদের সমর্থন কোন দিকে যায়, সেটিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।বিশ্লেষকদের বক্তব্য, রাজনৈতিক দলের নাম বা প্রতীকের প্রশ্ন আদালত এবং নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে নির্ধারিত হতে পারে। কিন্তু সাধারণ ভোটারদের আস্থা এবং সমর্থন কোন নেতৃত্বের দিকে ঝুঁকবে, সেটি রাজনৈতিক বাস্তবতার উপর নির্ভর করবে।তাই আপাতত তৃণমূলের ভিতরে এই ক্ষমতার লড়াই আরও দীর্ঘ হতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন, আদালত এবং জনমতের লড়াই তিন দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের। আগামী দিনে এই সংঘাত কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই দেখার।

জুন ২৩, ২০২৬
কলকাতা

১২ রাউন্ড পর্যন্ত এগিয়ে মমতা, তারপর কী ঘটেছিল? আদালতে বিস্ফোরক দাবি

ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে দায়ের হওয়া মামলায় গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। গণনাকেন্দ্রের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ, ইভিএম এবং ভিভিপ্যাট সংরক্ষণ করার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্ত। আদালতের অনুমতি ছাড়া কোনও ফুটেজ মুছে ফেলা যাবে না বলেও স্পষ্ট জানানো হয়েছে।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে শুভেন্দু অধিকারী জয়ী হন। সেই ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, ভোটগণনার সময় অনিয়ম এবং কারচুপি হয়েছিল। সেই মামলারই শুনানি ছিল মঙ্গলবার।আদালতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে সওয়াল করতে গিয়ে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, ভোটগণনার প্রথম ১২ রাউন্ড পর্যন্ত সবকিছু স্বাভাবিক ছিল এবং তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এগিয়ে ছিলেন। কিন্তু তার পর থেকেই পরিস্থিতি বদলে যায় বলে অভিযোগ তাঁর।আইনজীবীর দাবি, তৃণমূলের গণনা এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেওয়া হয়েছিল। এমনকী কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয় আদালতে। তাঁর বক্তব্য, ১৩ নম্বর রাউন্ড থেকে গণনার ফলাফলে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা যায় এবং তার সমস্ত তথ্য সিসিটিভি ফুটেজে রয়েছে।শুনানিতে আরও অভিযোগ করা হয়, ভবানীপুরের রিটার্নিং অফিসারকে নিয়ে আগে থেকেই আপত্তি ছিল। তা সত্ত্বেও তাঁকেই ওই দায়িত্বে রাখা হয়েছিল। এই বিষয়টিও আদালতের নজরে আনা হয়।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে আদালতের কাছে আবেদন জানানো হয় যাতে দ্রুত মামলার নিষ্পত্তি করা হয়। পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজ, ইভিএম এবং ভিভিপ্যাট সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়ারও আর্জি জানানো হয়।সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত গণনাকেন্দ্রের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ দেয়। একইসঙ্গে ভবানীপুর কেন্দ্রের ব্যবহৃত ইভিএম এবং ভিভিপ্যাটও সংরক্ষণ করতে বলা হয়েছে। আদালতের অনুমতি ছাড়া কোনও তথ্য বা ফুটেজ নষ্ট করা যাবে না।এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে দুই মাস পরে। তবে আদালতের এই নির্দেশের পর ভবানীপুর নির্বাচনের ফলাফল এবং ভোটগণনা প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুন ২৩, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে সাসপেন্ড! তৃণমূলে বিস্ফোরক সিদ্ধান্ত, মমতার নামও নেই নতুন কমিটিতে

বঙ্গ রাজনীতিতে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বিদ্রোহী শিবিরের এক সিদ্ধান্তকে ঘিরে। নতুন তৃণমূলের তরফে দাবি করা হয়েছে, দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।পালাবদলের পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে ভাঙনের ছবি স্পষ্ট হতে শুরু করে। একের পর এক বিধায়ক বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দেওয়ার ফলে দলের সাংগঠনিক শক্তি ও পরিষদীয় অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে থাকে। সেই পরিস্থিতিতে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক মঞ্চ তৈরি হয়।সোমবার নিউ টাউনের একটি বৈঠকে নতুন কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়। সেখানে চেয়ারম্যান হিসেবে অরূপ রায়ের নাম সামনে আনা হয়েছে। ভাইস চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস এবং রথীন ঘোষ। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জাভেদ খান, সন্দীপন সাহা, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সাবিনা ইয়াসমিন।নতুন কমিটি ঘোষণার পর সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত। দীর্ঘদিন ধরেই তাঁকে দলের অন্যতম প্রধান মুখ এবং সংগঠনের কার্যকর নেতৃত্ব হিসেবে দেখা হতো। ফলে এই সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।বিদ্রোহী শিবিরের দাবি, নতুন সাংগঠনিক কাঠামোর মাধ্যমে দলের পুনর্গঠন করা হচ্ছে। অন্যদিকে নতুন কমিটিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও সাংগঠনিক পদ না থাকায় বিতর্ক আরও বেড়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই পদক্ষেপ ভবিষ্যতের বৃহত্তর রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত বহন করতে পারে।উল্লেখযোগ্যভাবে, মাসখানেক আগেই দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বহিষ্কার করা হয়েছিল। তারপর থেকেই দুই শিবিরের মধ্যে রাজনৈতিক সংঘাত ক্রমশ তীব্র হয়েছে। এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাসপেন্ড করার ঘোষণার পর সেই সংঘাত আরও নতুন মাত্রা পেল।নতুন কমিটি এবং তার সিদ্ধান্ত ঘিরে এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। আগামী দিনে এই সংঘাত কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

জুন ২২, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 43
  • 44
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

বালুরঘাটে পথকুকুরের ওপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য, প্রতিবাদে সরব পশুপ্রেমীরা; কড়া শাস্তির দাবি শ্রীলেখা মিত্রের

দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পথকুকুরের ওপর যৌন নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন পশুপ্রেমী থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রাণী অধিকারকর্মীরা। অভিনেত্রী ও প্রাণীপ্রেমী শ্রীলেখা মিত্রও এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপের দাবি তুলেছেন।বালুরঘাটের প্রাণীপ্রেমী এবং Honorary Animal Welfare Officer ব্রতীন চক্রবর্তী তাঁর সামাজিক মাধ্যমের পোস্টে দাবি করেন, গত রাতে প্রায় ২টা ৩০ মিনিট নাগাদ চৌরঙ্গীপাড়া এলাকার এক বাসিন্দার কাছ থেকে তিনি ফোন পান। অভিযোগ অনুযায়ী, এলাকার এক মদ্যপ রংমিস্ত্রি প্রায় প্রতি রাতেই রাস্তা থেকে পথকুকুর ধরে নিয়ে গিয়ে তাদের ওপর যৌন নির্যাতন চালায়।পোস্টে আরও দাবি করা হয়েছে, অভিযুক্তের এই আচরণে অতিষ্ঠ হয়ে তাঁর স্ত্রী ও মেয়ে বাড়ি ছেড়ে শিলিগুড়িতে চলে গিয়েছেন। খবর পাওয়ার পর পুলিশকে জানানো হলে প্রায় ১৫ মিনিটের মধ্যে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে সতর্ক করে। তবে তিনি অতিরিক্ত মদ্যপ অবস্থায় থাকায় পরিস্থিতি সামাল দিতে সমস্যা হয় বলেও পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে।এই ঘটনার প্রতিবাদে বালুরঘাটের বিভিন্ন পশুপ্রেমী সংগঠন আন্দোলনে নামার ডাক দিয়েছে। তাদের দাবি, নিরীহ প্রাণীর ওপর এই ধরনের নৃশংসতার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে প্রাণী নির্যাতনের বিরুদ্ধে আরও কঠোর আইন প্রয়োগের দাবিও তুলেছেন আন্দোলনকারীরা।অভিনেত্রী ও প্রাণী অধিকারকর্মী শ্রীলেখা মিত্র সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, মানুষের হাতে ধর্ষণ, নির্যাতন, বিষপ্রয়োগ, পাথর ছুড়ে মারা কিংবা কুকুরের মাংসের জন্য পাচারএসবের শিকার হয় অসংখ্য পথকুকুর। কিন্তু তারা নির্বাক হওয়ায় অধিকাংশ ঘটনাই সামনে আসে না।তিনি আরও বলেন, যারা প্রাণীদের ওপর নিষ্ঠুরতা চালিয়েও সমাজে অবাধে ঘুরে বেড়ায়, তাদের বিরুদ্ধে সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে তারা মানুষের বিরুদ্ধেও আরও ভয়ঙ্কর অপরাধে জড়িয়ে পড়তে পারে। প্রাণী অধিকারকর্মীরা এই ধরনের ঘটনার ওপর নজর রাখছেন বলেও তিনি সতর্কবার্তা দেন।এছাড়াও শ্রীলেখা মিত্র জানান, West Bengal Animal Rights Activists Front নামে একটি নিবন্ধিত সংগঠন গঠন করা হয়েছে, যার সভাপতি তিনি নিজে। খুব শীঘ্রই একটি সাংবাদিক বৈঠক করে প্রাণী নির্যাতন রোধ, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং রাজ্যের বিভিন্ন পশুপ্রেমী মানুষকে একত্রিত করার কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে তিনি জানান।প্রাণী অধিকারকর্মীদের মতে, প্রাণীদের ওপর যৌন নির্যাতন একটি অত্যন্ত গুরুতর জঘন্য অপরাধ। অভিযোগ প্রমাণিত হলে বর্তমান আইনের আওতায় কঠোর তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

জুলাই ১৯, ২০২৬
রাজ্য

'ম্যানস বেস্ট ফ্রেন্ড' কুকুর, তবু এত ভয় কেন? ব্যাখ্যা দিলেন বিশেষজ্ঞে

কুকুরকে দীর্ঘদিন ধরেই বলা হয় মানুষের সবচেয়ে বিশ্বস্ত সঙ্গী। তবু বাস্তবে দেখা যায়, কুকুর সামনে এলেই অনেকেই রাস্তা বদলে ফেলেন, থমকে যান কিংবা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। অথচ বিড়ালকে ঘিরে এমন ভীতি তুলনামূলকভাবে অনেক কম। কেন এই পার্থক্য? এর উত্তর দিয়েছেন পশু চিকিৎসক ডা. বিনোদ শর্মা।ডা. শর্মা জানান, কুকুরকে ঘিরে মানুষের ভয় মূলত তাদের আচরণ নয়, বরং মানুষের ধারণা, অভিজ্ঞতা এবং সামাজিক প্রভাবের ফল। তাঁর মতে, বিড়ালের তুলনায় কুকুর আকারে বড়, শক্তিশালী এবং জনবহুল এলাকায় বেশি দেখা যায়। ফলে অনেকের মনে কুকুরের কামড় বা আক্রমণের আশঙ্কা বেশি কাজ করে।তিনি বলেন, এই ভয় অনেক ক্ষেত্রেই জন্মগত নয়, বরং শেখা। ছোটবেলার খারাপ অভিজ্ঞতা, পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে শোনা ঘটনা কিংবা সংবাদমাধ্যমে কুকুরের আক্রমণের খবর মানুষের মনে আতঙ্ক তৈরি করে। তাই অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এটি বাস্তব ঝুঁকির চেয়ে মানসিক ধারণার ফল।ডা. শর্মার মতে, কুকুরকে ভয় পাওয়া মানেই প্রাণীকে ঘৃণা করা নয়। অনেক সময় মানুষকে প্রাণী-বিদ্বেষী বলে মনে করা হলেও এই ধারণা সঠিক নয়। কুকুরকে ভয় পাওয়া অনেকের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক ভয়ের প্রতিক্রিয়া, আবার কারও ক্ষেত্রে তা ফোবিয়ার পর্যায়েও পৌঁছাতে পারে।তিনি জানান, প্রকৃত ফোবিয়ার ক্ষেত্রে শুধু অস্বস্তি নয়, তীব্র মানসিক ও শারীরিক প্রতিক্রিয়াও দেখা দেয়। যেমনহৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া, অতিরিক্ত ঘাম, শরীর কাঁপা, কান্না কিংবা কুকুরের সম্ভাব্য উপস্থিতি এড়িয়ে চলার প্রবণতা, যা দৈনন্দিন জীবনেও প্রভাব ফেলে। অন্যদিকে, যাঁরা কেবল কুকুর অপছন্দ করেন, তাঁরা দূরত্ব বজায় রাখলেও এমন তীব্র আতঙ্কে ভোগেন না।কুকুরের কিছু আচরণ মানুষ প্রায়ই ভুলভাবে ব্যাখ্যা করেন বলেও জানিয়েছেন ডা. শর্মা। তাঁর মতে, লেজ নাড়ানো মানেই কুকুর বন্ধুসুলভএমন ধারণা সবসময় ঠিক নয়। যদি কুকুর দ্রুত, শক্তভাবে এবং উঁচু করে লেজ নাড়ে, তবে সেটি উত্তেজনা বা সতর্কতারও ইঙ্গিত হতে পারে।এছাড়া কুকুরের ঠোঁট চাটা, হাই তোলা বা মুখ ঘুরিয়ে নেওয়াকে অনেকেই স্বাভাবিক বা মজার আচরণ মনে করেন। কিন্তু বাস্তবে এগুলো অনেক সময় কুকুরের অস্বস্তি বা মানসিক চাপের সংকেত।আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণের কথা উল্লেখ করেছেন তিনি। অনেকেই মনে করেন, স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা কুকুর শান্ত রয়েছে। কিন্তু কোনও কুকুর যদি হঠাৎ একেবারে স্থির হয়ে যায়, শরীর শক্ত করে রাখে এবং একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকে, তবে সেটি আক্রমণের আগাম সতর্কবার্তাও হতে পারে।ডা. শর্মার পরামর্শ, কুকুরের আচরণ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো এবং তাদের ব্যক্তিগত পরিসরকে সম্মান করাই অপ্রয়োজনীয় ভয় কমানোর অন্যতম উপায়। অপরিচিত কুকুরের কাছে যাওয়ার আগে অবশ্যই মালিকের অনুমতি নেওয়া উচিত।সবশেষে তিনি বলেন, কুকুরকে ভয় পাওয়া কোনও দুর্বলতা বা প্রাণীদের প্রতি বিদ্বেষের প্রকাশ নয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই ভয় মানুষের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, পরিবেশ এবং মানসিক ধারণা থেকেই তৈরি হয়। (দ্যা ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন থেকে প্রাপ্ত)

জুলাই ১৯, ২০২৬
রাজ্য

মহিলার ব্যাগ খুলতেই চোখ ছানাবড়া! এ যেন অস্ত্রের ভাণ্ডার, আন্তঃরাজ্য চক্রের খোঁজে সিআইডি

গোপন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বড় সাফল্য পেল সিআইডি। উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগর থেকে এক মহিলাকে আটক করে তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৬টি আগ্নেয়াস্ত্র, প্রায় ২০০ রাউন্ড কার্তুজ এবং নগদ টাকা। রবিবার সকালে অশোকনগর থানার ৮ নম্বর মোড় এলাকায় এই ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত মহিলার নাম পূজা বিশ্বাস। তিনি হাবরা পুরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তদন্তকারীদের দাবি, নৈহাটি-অশোকনগর রোড দিয়ে একটি ম্যাটাডোরে সাধারণ যাত্রীদের সঙ্গে যাত্রা করছিলেন তিনি। আগেই তাঁর গতিবিধির উপর নজর রাখছিল সিআইডি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোটা পথ তাঁকে অনুসরণ করা হয়।অশোকনগর থানার ৮ নম্বর মোড়ে ম্যাটাডোর থেকে নামার পরই সাদা পোশাকের সিআইডি আধিকারিকরা তাঁকে ঘিরে ফেলেন। এরপর তাঁর সঙ্গে থাকা ব্যাগে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয় ৬টি আগ্নেয়াস্ত্র, প্রায় ২০০ রাউন্ড কার্তুজ এবং নগদ টাকা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় অশোকনগর থানার পুলিশ। পরে পূজা বিশ্বাসকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় ভিড় জমাতে থাকেন স্থানীয় বাসিন্দারা।প্রত্যক্ষদর্শী সুখেন সরকার বলেন, সকালে এসে দেখি এক মহিলাকে ঘিরে পুলিশ ও সিআইডি তল্লাশি চালাচ্ছে। পরে জানতে পারি তাঁর ব্যাগ থেকে প্রচুর গুলি ও বন্দুক উদ্ধার হয়েছে। এই এলাকায় এমন ঘটনা আগে দেখিনি। মহিলাকেও কখনও এখানে দেখিনি। পুলিশ ও সিআইডি খুব ভালো কাজ করেছে।প্রাথমিক তদন্তে সিআইডির অনুমান, উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ও কার্তুজ বিহার থেকে পশ্চিমবঙ্গে আনা হয়েছে। তবে এগুলি কোথায় পৌঁছানোর কথা ছিল, কী উদ্দেশ্যে আনা হচ্ছিল এবং এই অস্ত্র পাচার চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার নেপথ্যে বৃহত্তর কোনও আন্তঃরাজ্য চক্র রয়েছে কি না, সেই দিকেও তদন্তকারীরা নজর দিচ্ছেন।

জুলাই ১৯, ২০২৬
কলকাতা

ফিরছে কি করোনা আতঙ্ক? গড়িয়ার ১০ বছরের বালক আইসিইউ-তে ভর্তি

দেশে নতুন করে করোনা সংক্রমণের খবর সামনে আসতেই উদ্বেগ বাড়ছে। তার মধ্যেই দক্ষিণ কলকাতার গড়িয়ার এক ১০ বছরের বালক করোনা আক্রান্ত হয়ে বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সকালে জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্টের উপসর্গ নিয়ে তাকে হাসপাতালে আনা হয়।চিকিৎসকদের সন্দেহ হওয়ায় শিশুটির সোয়াব পরীক্ষা করা হয়। রিপোর্টে সে করোনা পজিটিভ বলে ধরা পড়ে। এরপর তাকে হাসপাতালের আইসিইউ-র আইসোলেশন ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়েছে।শিশু বিশেষজ্ঞ সাহেলি দাশগুপ্ত জানিয়েছেন, বালকটি গত তিন-চার দিন ধরে জ্বর, সর্দি ও কাশিতে ভুগছিল। এক্স-রে পরীক্ষায় তার ডান ফুসফুসে নিউমোনিয়ার লক্ষণ ধরা পড়েছে। ভাইরাল পরীক্ষায় সার্স-কোভ-২ পজিটিভ এসেছে।তিনি আরও জানান, করোনা ভাইরাসজনিত রোগ হওয়ায় শিশুটিকে অ্যান্টিবায়োটিকের পরিবর্তে নেবুলাইজেশন ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহায়তায় রাখা হয়েছে। শিশুটির মাকেও আইসোলেশনে রাখা হয়েছে এবং তাঁরও কোভিড পরীক্ষা করা হতে পারে।চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শিশুদের মধ্যে জ্বর, সর্দি-কাশি হওয়া এখন সাধারণ বিষয়। তাই করোনা নিয়ে অযথা আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। অধিকাংশ নতুন সংক্রমণই মৃদু প্রকৃতির এবং হাসপাতালে ভর্তির হারও কম বলে তাঁরা জানিয়েছেন।তবে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে নতুন করে সংক্রমণের খবর পাওয়া যাচ্ছে। অন্ধ্রপ্রদেশে ২৬ জুন থেকে ১৬ জুলাইয়ের মধ্যে ১২ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন বলে রাজ্যের স্বাস্থ্য কমিশনার জানিয়েছেন। পাশাপাশি কোমর্বিডিটি থাকা ৪ জন রোগীর মৃত্যুর খবরও সামনে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন করে কোভিড নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

জুলাই ১৯, ২০২৬
বিদেশ

আচমকা বিকল ফেসবুক! ডেস্কটপে খুলছে না, আতঙ্কে লক্ষ লক্ষ ব্যবহারকারী

রবিবার দুপুরে আচমকা বিশ্বজুড়ে আংশিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে ফেসবুক। ভারতীয় সময় প্রায় দুপুর ১টা নাগাদ এই সমস্যা শুরু হয়। লক্ষাধিক ব্যবহারকারী অভিযোগ করেছেন, তাঁরা কম্পিউটার বা ডেস্কটপ থেকে ফেসবুক ব্যবহার করতে পারছেন না। তবে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে অনেকেই এখনও ফেসবুক ব্যবহার করতে সক্ষম হচ্ছেন।ব্যবহারকারীরা জানিয়েছেন, ডেস্কটপে ফেসবুক খুলতে গেলে একটি বার্তা দেখা যাচ্ছে। সেখানে লেখা, অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে উপলব্ধ নয়। ফলে পোস্ট দেখা, তথ্য আদানপ্রদান বা নতুন কিছু পোস্ট করা কোনও কাজই করতে পারছেন না অনেকেই।এই বিভ্রাট শুধু ভারতেই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও দেখা গিয়েছে। এক লক্ষেরও বেশি ব্যবহারকারী সমাজমাধ্যমে অভিযোগ জানিয়েছেন যে ফেসবুক ঠিকমতো কাজ করছে না। অনেকেই এক্সে পোস্ট করে সমস্যার কথা জানিয়েছেন।মেটা এখনও এই বিভ্রাটের কারণ সম্পর্কে কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেয়নি। কবে পরিষেবা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক হবে, সে বিষয়েও সংস্থার পক্ষ থেকে এখনও কোনও ঘোষণা করা হয়নি। ফলে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।মোবাইল অ্যাপে পরিষেবা আংশিকভাবে চালু থাকলেও ডেস্কটপ ব্যবহারকারীরা সবচেয়ে বেশি সমস্যার মুখে পড়েছেন। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি সার্ভারজনিত সমস্যা হতে পারে। তবে মেটার আনুষ্ঠানিক বক্তব্য না আসা পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।

জুলাই ১৯, ২০২৬
দেশ

দিল্লির আন্দোলন থামিয়ে ছুটলেন ওমর আবদুল্লা! কাশ্মীরে ভয়াবহ বন্যা

অতিবৃষ্টির জেরে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে জম্মু ও কাশ্মীরে। শনি ও রবিবারের টানা ভারী বৃষ্টিতে রাজৌরি, পুঞ্চ-সহ একাধিক জেলা কার্যত জলের তলায় চলে গিয়েছে। নদীর জলস্তর দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় নিচু অঞ্চলগুলি প্লাবিত হয়েছে। প্রশাসনের প্রাথমিক হিসেবে অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আরও কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন।মৌসম ভবন আগেই ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছিল। শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টি দুদিন ধরে অব্যাহত থাকায় দারহালি, খান্দালি, সুকতোহ ও জামোলা নদীর জল বিপদসীমা ছাড়িয়ে যায়। বহু এলাকায় নদীর জল বাড়িঘর, রাস্তা ও বাজারে ঢুকে পড়ে।সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে রাজৌরি জেলায়। দারহালি নদীর বাঁধ ভেঙে জল বাসস্ট্যান্ডের পার্কিং এলাকায় ঢুকে পড়ে এবং বহু গাড়ি ভাসিয়ে নিয়ে যায়। পুঞ্চ জেলায় বাড়ি ধসে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। রাজৌরিতে ভূমিধ্বসে আরও একজনের প্রাণহানি ঘটেছে। দুই জেলায় অন্তত পাঁচ জন এখনও নিখোঁজ বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।পুলিশ ও উদ্ধারকারী দল প্লাবিত এলাকা থেকে মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। বহু পরিবারকে ত্রাণ শিবিরে রাখা হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, জল নামার পর ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ আরও স্পষ্ট হবে।এই দুর্যোগের জেরে দিল্লিতে পূর্ণরাজ্যের দাবিতে চলা আন্দোলন আপাতত স্থগিত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা। পরিস্থিতি সামাল দিতে তিনি শ্রীনগরে ফিরে যাচ্ছেন বলে সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে।

জুলাই ১৯, ২০২৬
দেশ

হাসপাতালেও অনশন ভাঙলেন না সোনম, মুক্তির দাবিতে হাই কোর্টে স্ত্রী

২১ দিন অনশনের পর জোর করে সোনম ওয়াংচুককে সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কিন্তু হাসপাতালে নিয়েও তাঁর অনশন ভাঙানো যায়নি। তিনি চিকিৎসা নিতে অস্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এই অবস্থায় সোনমের স্ত্রী গীতাঞ্জলি অভিযোগ করেছেন, তাঁকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। সেই কারণেই তিনি দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন।শনিবার প্রকাশিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে জানানো হয়েছে, সোনমের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। দীর্ঘ অনশনের ফলে তাঁর শরীর ডিহাইড্রেটেড হয়ে পড়েছে এবং পটাশিয়ামের মাত্রা কমে যাচ্ছে। রক্তচাপ, নাড়ির গতি এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শারীরিক সূচক আপাতত স্থিতিশীল থাকলেও চিকিৎসকদের মতে পরিস্থিতি উদ্বেগজনক।হাসপাতাল সূত্রে খবর, সোনমকে আইভি ফ্লুইড দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি তা নিতে অস্বীকার করেছেন। এমনকি কোনও ওরাল ওষুধও গ্রহণ করছেন না। অর্থাৎ, জোর করে হাসপাতালে ভর্তি করানো হলেও তিনি এখনও অনশন প্রত্যাহার করেননি।গীতাঞ্জলি জানিয়েছেন, বারবার আবেদন করা সত্ত্বেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সোনমকে ছাড়ছে না এবং বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরের অনুমতিও দিচ্ছে না। তাঁর দাবি, এতদিন যাঁরা সোনমের চিকিৎসা করছিলেন, তাঁরাই যেন চিকিৎসার দায়িত্ব পান। তিনি আরও অভিযোগ করেন, হাসপাতাল চত্বরে একশোর বেশি পুলিশ মোতায়েন করে সোনমকে কার্যত বন্দি করে রাখা হয়েছে।অন্যদিকে, সোনম ওয়াংচুকের সমর্থনে আন্দোলন আরও জোরদার হচ্ছে। এসএফআইয়ের সর্বভারতীয় সভাপতি আদর্শ এম সাজি এবং যুগ্ম সম্পাদক ঐশী ঘোষ যন্তরমন্তরে অনির্দিষ্টকালের অনশন শুরু করার ঘোষণা দিয়েছেন। রবিবার থেকেই তাঁদের এই কর্মসূচি শুরু হবে।সোনমের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ বাড়লেও তিনি অনশনে অটল রয়েছেন। এখন নজর দিল্লি হাই কোর্টের দিকে, যেখানে তাঁর স্ত্রী দ্রুত শুনানির আবেদন জানিয়েছেন।

জুলাই ১৯, ২০২৬
কলকাতা

রাজ্যের আইনজীবী অনুপস্থিত, থমকে গেল অভিষেকের মামলার শুনানি! এরপর কী বলল হাইকোর্ট?

আমতলার পার্টি অফিস ভাঙা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরীর এজলাসে জরুরি ভিত্তিতে শুনানির কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ে রাজ্যের কোনও আইনজীবী উপস্থিত না থাকায় শুনানি শুরু করা যায়নি।আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, বেলা ১২টার সময় মামলার শুনানি শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রাজ্যের পক্ষ থেকে কোনও আইনজীবী হাজির না হওয়ায় বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরী জানান, রাজ্যের বক্তব্য ছাড়া শুনানি সম্ভব নয়। পরে রাজ্যের আইনজীবী নীলাঞ্জন ভট্টাচার্য ভার্চুয়াল মাধ্যমে এজলাসে উপস্থিত হন এবং সওয়ালের জন্য আরও সময় চান।বিচারপতি রাজ্যকে ফের নোটিস দেওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারকেও মামলার কপি দিতে বলা হয়েছে। আদালত জানিয়েছে, জেলাশাসকের কাছ থেকে বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে হবে। এরপর মামলার পরবর্তী শুনানির সময় ধার্য করা হয়েছে দুপুর দেড়টায়।অভিযোগ, আমতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পার্টি অফিস বেআইনিভাবে তৈরি হয়েছিল। শনিবার প্রশাসনের পক্ষ থেকে বুলডোজার চালিয়ে অফিসের একাংশ ভেঙে দেওয়া হয়। এমনকি শাবল দিয়ে ডিজি লকারও ভাঙা হয়েছে বলে অভিযোগ। রবিবারও বুলডোজার পার্টি অফিসের সামনে পৌঁছে যায়। এই পরিস্থিতিতে দ্রুত শুনানির আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টে যান অভিষেকের আইনজীবী।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, পার্টি অফিসটি বেআইনিভাবে তৈরি হয়নি। তিনি অভিযোগ করেছেন, এর পিছনে বিজেপি নেতাদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদত রয়েছে। শনিবার তিনি বলেন, যে আইনের যে ধারায় আপনারা এই অত্যাচার করেছেন, একই আইনের একই ধারায় ৩১ ফিরিয়ে দেব সুদ সমেত।আমতলা পার্টি অফিস ভাঙাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তীব্র হয়েছে। এখন নজর আদালতের পরবর্তী শুনানির দিকে, যেখানে রাজ্যের জবাবের পর মামলার ভবিষ্যৎ দিক নির্ধারণ হতে পারে।

জুলাই ১৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal